প্রিন্ট এর তারিখঃ May 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 1, 2026 ইং
মতলবে অবকাঠামো থাকলেও মিলছেনা ৫০ শয্যার অনুমতি

নূরে আলম নূরী : আধুনিক ভবনসহ সকল অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও দীর্ঘ পাঁচ বছরেও ৫০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমোদন পায়নি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এর ফলে ৩১ শয্যার জনবল ও সরঞ্জাম দিয়েই চলছে এই অঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা। মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, এলাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রায় পাঁচ বছর আগে ২০২১ সালে এ হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় রুপান্তরিত করার লক্ষ্যে অবকাঠামো নির্মান কাজ শেষ করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে ৫০ শয্যার চূড়ান্ত প্রশাসনিক অনুমোদন ও জনবল নিয়োগের কোনো আদেশ আসেনি।
স্থানীয়রা জানান, ব্যানারে ৫০ শয্যার হাসপাতাল লেখা থাকলেও বাস্তবে ৩১ শয্যার সেবা দেওয়ার জনবল ও নেই। প্রতিদিন বহির্বিভাগে শত শত রোগী এলেও চিকিৎসক ও শয্যা সংকটে অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে।
খোজ নিয়ে জানা যায় ,৩১শয্যার এই হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ১০টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে মাত্র ৪ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। এখানে নেই জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি, জুনিয়র কনসালটেন্ট সার্জারি, জুনিয়র কনসালটেন্ট এনিসথেসিয়া, জুনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডেন্টাল। হাসপাতালে ৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পদ বরাদ্দ থাকলেও কর্মরত আছেন মাত্র ২ জন। ৩ টি পদই এখন ফাঁকা। ফলে হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য জটিলতা হলেই রোগীদের চাঁদপুর সদর বা ঢাকায় রেফার করা হয়। এতে সময় ও অর্থ দুটিরই অপচয় হচ্ছে। দ্রুত ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হলে এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় আমূল পরিবর্তন আসত।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.রাজন কুমার দাস বলেন,সম্প্রতি চাঁদপুর -(মতলব উত্তর -দক্ষিণ) আসনের সংসদ সদস্য ডক্টর জালাল উদ্দিন হাসপাতাল পরিদর্শনে আসলে আমরা তাকে বিষয়টি জানিয়েছি। তিনি আমাদের কে পরামর্শ দিয়েছেন নতুন করে আবার ৫০ শয্যার অনুমতি চেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগে চিঠি দেয়ার জন্য। আমরা দ্রুত চিঠি পাঠিয়ে দিব।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ চাঁদপুর২৪.নেট